
যারা পড়তে লিখতে জানেন না বা প্রাথমিক শিক্ষা সম্পূর্ণ করতে চান, তাদের জন্য বিশেষ কর্মসূচি।

ভোকেশনাল ও ওপেন স্কুলিং পদ্ধতিতে এসএসসি সম্পন্ন করার সুযোগ।

এইচএসসি পরীক্ষার জন্য পূর্ণাঙ্গ ও পরিকল্পিত কোচিং প্রোগ্রাম।

ডিগ্রি পাস শিক্ষার্থীদের জন্য বিষয়ভিত্তিক সহায়তা ও গাইডলাইন।

মাস্টার্স পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য মানসম্মত একাডেমিক কোচিং।

বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য অনলাইন কোচিং সেবা।

কারিগরি শিক্ষায় দক্ষতা অর্জনের জন্য ভোকেশনাল ও বিএমটি কোচিং।
শেখা এখন তোমার হাতের মুঠোয়! যেখানেই থাকো, যখনই ইচ্ছা E-Learning Academy Bangladesh তোমাকে দিচ্ছে মানসম্মত লেকচার, রুটিনভিত্তিক গাইডলাইন এবং স্মার্ট প্রস্তুতির সব সুবিধা।




প্রবাসী শিক্ষার্থী
ব্যবসায়ী (বয়স ৪৮)
অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী (বয়স ৫২)
গৃহিণী
ব্যবসায়ী
চাকরিজীবী
ব্যাংকার
প্রবাসী শিক্ষার্থী
গৃহিণী
প্রতিটি শিক্ষার্থীকে তাদের শিক্ষাগত লক্ষ্য অর্জনে সহায়তা করা এবং তাদের সম্পূর্ণ সম্ভাবনা বিকশিত করা।
দক্ষ এবং অভিজ্ঞ শিক্ষকদের দল যারা প্রতিটি শিক্ষার্থীর সাফল্যের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
হাজার হাজার শিক্ষার্থী আমাদের সাথে তাদের একাডেমিক লক্ষ্য অর্জন করেছেন এবং উচ্চ শিক্ষায় এগিয়ে গেছেন।
অত্যাধুনিক প্রযুক্তি এবং কার্যকর শিক্ষাদান পদ্ধতির সমন্বয়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রদান।
সহজ কথায়, আমরা শিক্ষার্থী এবং শিক্ষা বোর্ডের মাঝখানে একটি ‘বিশ্বস্ত সেতুবন্ধন’ (Bridge) হিসেবে কাজ করি। একজন অনিয়মিত বা কর্মজীবী শিক্ষার্থীর পক্ষে বোর্ডের জটিল নিয়মকানুন মেনে রেজিস্ট্রেশন করা, ফর্ম ফিলাপ করা বা সঠিক সিলেবাস জোগাড় করা কঠিন। আমরা আপনার হয়ে এই সমস্ত দাপ্তরিক দায়িত্ব (Official Documentation) পালন করি এবং একইসাথে আপনাকে পরীক্ষার জন্য প্রস্তুত করি।
আমরা কোনো শিক্ষা বোর্ড নই এবং আমরা গতানুগতিক কোচিং সেন্টারও নই। আমরা একটি পূর্ণাঙ্গ ‘অনলাইন স্কুল’ ও ‘একাডেমিক কনসালটেন্সি’ প্রতিষ্ঠান। বোর্ড পরীক্ষা নেয় ও সনদ দেয়, আর আমরা সেই পরীক্ষায় আপনাকে বৈধভাবে বসানো এবং পাস করানোর দায়িত্ব নিই।
ভর্তির পর থেকে সার্টিফিকেট হাতে পাওয়া পর্যন্ত আমরা আপনাকে ৫টি ধাপে সহায়তা করব:
১. আপনার কাগজপত্র যাচাই করে বোর্ডে বৈধ রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করা।
২. পরীক্ষার ফর্ম ফিলাপ ও এডমিট কার্ড সংগ্রহ করে দেওয়া।
৩. চাকরিজীবীদের উপযোগী সময়ে রাতে অনলাইন ক্লাস নেওয়া।
৪. নিশ্চিত পাসের জন্য ৷ এক্সক্লুসিভ শর্ট সাজেশন’ প্রদান করা।
৫. পরীক্ষা চলাকালীন সার্বক্ষণিক মেন্টর হিসেবে গাইডলাইন দেওয়া।
না। পরীক্ষা সম্পূর্ণ সরকারি নিয়ন্ত্রণে সরকারি কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয় এবং খাতা দেখেন বোর্ড নির্ধারিত শিক্ষকরা। রেজাল্টও বোর্ড প্রকাশ করে। আমাদের কাজ হলো আপনাকে এমনভাবে প্রস্তুত করা (ক্লাস ও সাজেশনের মাধ্যমে) যেন আপনি নিজের যোগ্যতায় সহজেই পাস করতে পারেন।
জি, অবশ্যই। এটি আমাদের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। ভর্তির আগেই আমাদের অভিজ্ঞ কাউন্সিলররা আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং বর্তমান পেশা বিশ্লেষণ করে আপনাকে বলে দেবেন যে—কোন বিভাগ (মানবিক/কমার্স) বা কোন ঐচ্ছিক বিষয়গুলো (Optional Subjects) নিলে আপনার জন্য পাস করা সবচেয়ে সহজ হবে। আমরা আপনাকে ‘কঠিন’ বিষয় নেওয়া থেকে বিরত রাখি।
জি, আমরা আমাদের শিক্ষার্থীদের সম্পর্ক পাস করার পরেই শেষ করে দিই না। যেমন: আপনি আমাদের মাধ্যমে ‘১ বছরে এইচএসসি’ পাস করার পর, কীভাবে ডিগ্রিতে বা অনার্সে ভর্তি হবেন—সে বিষয়েও আমরা আপনাকে সঠিক গাইডলাইন ও সহায়তা প্রদান করব।
অবশ্যই। আমাদের একটি ডেডিকেটেড টেকনিক্যাল সাপোর্ট টিম আছে। ভর্তির পর আমরা আপনাকে হাতে-কলমে শিখিয়ে দেব কীভাবে জুম (Zoom) বা গুগল মিট ব্যবহার করতে হয়। ক্লাসে জয়েন করতে কোনো সমস্যা হলে আমাদের হেল্পলাইন নম্বরে ফোন করলেই আমরা সাথে সাথে সমাধান করে দেব।










Added to cart
Check out our shop to see what's available